Mahmudul Hoque

আজ পবিত্র শব-ই মেরাজ

আজ পবিত্র শব-ই মেরাজ । হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসের ২৭ তারিখ রাতে মহান আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে আরোহণ করেন। অবলোকন করেন সৃষ্টি জগতের অপার রহস্য।

রাসূল (সা.) উম্মতের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে আসেন, যে নামাজ মু’মিনের মেরাজস্বরূপ।

এমন নানা কারণে এ রাত খুব পবিত্র ও মহান আল্লাহর অফুরন্ত রহমত-বরকতে সমৃদ্ধ। দিনটিকে মুসলিম উম্মাহর বিশেষ দিন হিসেবে পালন করা হয়।

Advertisements

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডিপথেরিয়া,২৭৫৬ আক্রান্ত, ২৭ জনের মৃত্যু

নির্মূল হওয়ার প্রায় তিন যুগের মাথায় ডিপথেরিয়া ফিরে এসেছে বাংলাদেশে। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই রোগ ধরা পড়েছে সমপ্রতি। বাংলাদেশ থেকে ৩৫ বছর আগে বিলুপ্ত হয়েছিল এই রোগ। গত বছরের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ানো রোগ ডিপথেরিয়ায় আক্রান্ত ২ দুই হাজার ৭৫৬ জন রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। ‘করনিব্যাক্টেরিয়াম ডিপথেরি’ নামক ব্যাকটেরিয়ায় ঘটিত সংক্রামক এই রোগে এ পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জেলা স্বাস্থ্য অফিস। আর এই সংক্রামক ব্যাধির হাত থেকে রোহিঙ্গাসহ স্থানীয়দের রক্ষা করতে টিকা দিচ্ছে সরকার। ক্যাম্পে কাজ করে এমন বাংলাদেশি ছয়জনের এই রোগ শনাক্ত হয়েছে বলে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. আবদুস সালাম জানিয়েছেন। শিশুরাই এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে যাদের বয়স সাত বছরের নিচে। অন্যদিকে বিলুপ্ত এই রোগটির সঙ্গে অপরিচিত দেশের নতুন চিকিৎসকরা। তাই এই সংক্রামক ব্যাধি থেকে রোহিঙ্গাসহ স্থানীয়দের রক্ষা করা একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে গত ২৫শে অগাস্ট থেকে ছয় লাখের উপরে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। রাখাইনে দমন-পীড়নের শিকার রোহিঙ্গারা দশকের পর দশক মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা থেকেও বঞ্চিত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. আবদুস সালাম মুঠোফোনে বলেন, ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২ হাজার ৭৫৬ জন ডিপথেরিয়া রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত এই রোগে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, সাত বছরের নিচে যাদের বয়স সেসব শিশু বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। সিভিল সার্জন আরো বলেন, রোগটি এদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়েছে অনেক আগে। এই রোগের রোগী মিয়ানমার থেকে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডিপথেরিয়ার প্রতিষেধক টিকা দেয়া হচ্ছে। উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসার ডা. মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ডিপথেরিয়ার লক্ষণগুলো হলো জ্বর, গলাফুলে যায়, গলা ব্যথা, কাশি হওয়া। দেখা যায় ইনফেকশন হওয়ার দুই থেকে পাঁচ দিন পর ধরা পড়ে। ছোটদের ক্ষেত্রে জ্বরের তাপমাত্রায় একটু বেশি হয়। ১৫ বছরের নিচে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। সন্দেহভাজন আক্রান্তদের এক জায়গায় রাখা হচ্ছে। ক্যাম্পের মধ্যে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। হাসপাতাল ও এনজিওরা এক্ষেত্রে কাজ করছে। জানা গেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের মাঝে ডিপথেরিয়া রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করছে। পর্যায়ক্রমে সব শিশুকে টিকা দেয়া হবে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প অধ্যুষিত এলাকার স্থানীয় শিশুদের মাঝেও এই টিকা দেয়া হবে। এ প্রসঙ্গে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, রোগ নির্ণয় করা ও দ্রুত টিকা দেয়া। যাতে নতুন করে না ছড়ায়। তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষেধকের কাজ করতে পারে। তিনি জানান, ডিপথেরিয়া একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ। একজন থেকে অন্যজনে দ্রুত ছড়ায়। তিনি বলেন, বাংলাদেশিদের ভ্যাকসিন দেয়া আছে। প্রতিবছর দেয়া হয়। তাদের সংক্রমন সম্ভাবনা নেই। সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ক্যাম্পের সবাইকে টিকা দিতে হবে। আর আশপাশে যারা আছেন তাদেরকেও প্রতিষেধকমূলক টিকা দিতে হবে।
আইইডিসিআর-এর বর্তমান পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ প্রসঙ্গে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরকারের পক্ষ থেকে দু’ ধরনের ভ্যাকসিনেশন দেয়া হচ্ছে। যাদের বয়স ছয় বছরের উপরে তাদের জন্য এক ধরনের ভ্যাকসিনেশন এবং ছয় বছরের নিচে তাদের জন্য আরেক ধরনের ভ্যাকসিনেশন দেয়া হচ্ছে। রোগটি যেহেতু হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায় সেহেতু এটা এক ধরনের ছোঁয়াচে ধরনের সংক্রামক রোগ। সন্দেহজনক ওই এলাকার দু’জন বাংলাদেশির নমুনা আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল, তাতে রোগটি ধরা পড়েনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এসএসসি পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে ঢুকতে হবে

s

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। দেরি হলে কোনোভাবেই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হবে না।

গত বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য গঠিত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন সভাপতিত্ব করেন।

সভায় মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে- এসএসসি ও সমমানে পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা হিসেবে প্রশ্ন প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রশ্নপত্র বহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ট্যাপযুক্ত বিশেষ খামে পরিবহনের ব্যাপারে আলোচনা হয়। প্রশ্নসেট প্রস্তুত রাখা, নির্ধারিত সময়ের আগে প্রশ্ন না খোলা, পিনকোড ব্যবহার, অনলাইনে বা ইউএসবি ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্ন পাঠানো এবং পরীক্ষা শুরুর আগে থেকে কিছু সময়ের জন্য কেন্দ্র এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ রাখার ব্যাপারেও আলোচনা হয়।

আরও জানানো হয়, পরীক্ষা কেন্দ্রে কেউ স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধুমাত্র কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন, জাবেদ আহমেদ ও মোহাম্মদ জয়নুল বারী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী নাজির হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের আইটি ম্যানেজার মো. আরফে এলাহী মানিক এবং বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিটের ঊর্দ্ধতন বিশেষজ্ঞ রবিউল কবির চৌধুরী এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।Logo

সাকিবও বলছেন বাংলাদেশ ফেবারিট

s

তামিম ইকবাল বলেছেন, আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশই ফেবারিট। সাকিব আল হাসানও সতীর্থের কথার পুনরাবৃত্তি করলেন—শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই সিরিজে বাংলাদেশই ফেবারিট।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ দলের অভিযান শুরু হচ্ছে দেশের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে। বছরের শুরুটা ভালো করতে এ সিরিজ জিততে চায় বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ দুই দলই বাংলাদেশের কন্ডিশন খুব ভালো জানলেও নিজেদের এগিয়ে রাখছেন সাকিব, ‘আমি মনে করি, আমাদের খুব ভালো সম্ভাবনা আছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ দুটি দলই ভালো। কেউই দুর্বল নয়। আর যেহেতু দুটি দলই আমাদের খেলোয়াড় ও কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো জানে; আমার মনে হয় কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হবে। যেহেতু আমরা অনেক ভালো একটা দলে পরিণত হয়েছি, আমাদের ভালো করার সম্ভাবনাই বেশি।’
চন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে গেছেন, নতুন কোচ কে হবেন, গত দুই মাসেও এটির সমাধান হয়নি। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান কদিন আগে মাশরাফি-সাকিবকে ‘কোচ’ বলে আপাত সমাধান দিয়েছেন। নিজের অনুশীলনের পাশাপাশি সতীর্থদের দেখভালের এই দায়িত্বটা কেমন লাগছে সাকিবের?
বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক এটিকে স্বাভাবিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখছেন, ‘এসব নিয়ে সবাই খুব বেশি চিন্তা করে বলে মনে হয় না। আমাদের সবারই আলাদা আলাদা দায়িত্ব আছে। সবাই দায়িত্ব সম্পর্কে খুবই ভালোভাবে সচেতন। দায়িত্বগুলো ঠিকঠাক পালনের চেষ্টা করবে সবাই। যদি এটা ঠিকভাবে করতে পারি, অবশ্যই আমরা ভালো করব। যেহেতু আমরা (মাশরাফি ও তিনি) অধিনায়ক, সহ-অধিনায়ক; স্বাভাবিকভাবেই আমাদের ওপর একটু বেশি দায়িত্ব থাকে। সেটা ঠিকঠাক করতে আমরা প্রস্তুত।’

মন কাঁদে….

জয়নাল আবেদীন
প্রিয় দাদু!কেমন আছো? তুমি নির্জন ঘরে
রেখে এসেছিনু যেথায় শোকাবহ এক রোদ-দুপুরে।
তুমি যে চলে যাবে ভাসিয়ে মোদের নয়নজলে,
ভেবেনি কভুও!তবুও মেনেছি! চিরন্তন সত্য বলে!

প্রিয় দাদু!দিয়েছ তুমি দাদার মায়া ;সেই ছিল না বটে,
শূণ্যে ছিল না তোমার মায়াও ;দিয়েছো অন্য তটে।
চাঁদনী রাতে নাতি-আসরে তামাশা করিতে কতো!
রসে গোল্লা, হাস্যে ভরা গল্প বলতে শতো।

প্রিয় দাদু!তোমার ছায়ায় হয়েছি বড়; দেখেছি পথ বহুদূর,
তোমার দোয়ায় রয়েছি আজও;পেয়েছি ক্বোরআনী নূর।
ছিলে তুমি মোদের তরে নীরব রাহবার,
ধন-ত্যাগী হয়েই নিছ স্বর্গের অলঙ্কার।

প্রিয় দাদু!কেউ নেই যে আজ জিজ্ঞেস করার! আসবে আবার কবে?
স্বদেশ ছেড়ে শহর পানে রওয়ানা দিতাম যবে!
দরদভরা কণ্ঠে আমায় ডাকবে কে আর “ভাই”,
বলবো কাকে? দোয়া চেয়ে এবার তবে যাই!

প্রিয় দাদু!ভেঙ্গে গেছে কঠোর শ্রমে গড়া পুতুলের বিয়ে,
হাজার স্বপ্ন, অসম সাহস নিয়েছে সেদিন ছিনিয়ে।
মোদের ছেড়ে দিয়েছ তুমি রবের ডাকে সাড়া,
মন কাঁদে যে তবুও আমার;হয়ে দিশেহারা।

ছালেহ বুলবুল সঃপ্রাঃবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান

ছালেহ-বুলবুল চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থী ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় প্রথম বার অংশ গ্রহণ করে সকল ছাত্র/ছাত্রী কৃতিত্বের সহিত শতভাগ পাশ করায় বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক বাবু রত্নসেন বড়ুয়া ও কৃতি ছাত্র/ছাত্রীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, দানবীর ও সমাজ সেবক, জনাব আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী।বিশেষ অতিথি ছিলেন সরওয়ার কামাল বাদশা, এম,ইউ,পি ৫নং ওয়ার্ড ও সভাপতি,ভিশন সোসাইটি,পাতাবারী,হলদিয়া পালং,জনাব মোঃ নাছির উদ্দিন আহবায়ক,স্বেচ্ছাসেবক লীগ ,হলদিয়া পালং ইউনিয়ন শাখা ও সাধারণ সম্পাদক,ভিশন সোসাইটি।জনাব ডাঃজহরি উদ্দিন ভুঁইয়া স্বনামধন্য চিকিৎসক ও সাংগঠনকি সম্পাদক ভিশন সোসাইটি।জনাব মোঃ ইউনুছ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সহ-সাধারণ সম্পাদক ভিশন সোসাইটি। সভাপতিত্ব করেন জনাব বদিউল আলম চৌধুরী প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও সিনিয়র সদস্য ভিশন সোসাইটি। আরো উপস্থিত ছিলেন-বাবু সেন বড়ুয়া অচিন্ত,বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও শিক্ষানুরাগী।মোঃ পারভেজ, সাঃ সম্পাদক,কৃষকলীগ হলদিয়া পালং ইউপি শাখা।হাছু মিয়া,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি এবং অভিভাবকবৃন্দ।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অর্ধশত অবৈধ হাটবাজার!

ফারুক আহমদ, উখিয়া

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে অর্ধশত অবৈধ হাটবাজার বসিয়ে রোহিঙ্গাদের দিয়ে জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। হাটবাজার গুলো নিয়ন্ত্রণ করছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ প্রভাবশালী মহল। উখিয়ার থাইংখালী, জামতলীতে বিশাল আকারে নতুন করে রোহিঙ্গা বস্তিতে বাজার বসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে দন্দ ও সংঘাত সৃষ্টির আশংকা রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স থাকলেও রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীর কাছে কোন ধরনের ট্রেড লাইসেন্স ও দোকানের বৈধ ছাড়পত্র নেই। অর্ধশত অবৈধ হাটবাজারে কয়েক হাজার দোকান বসিয়ে স্থানীয় সরকার ও উপজেলা পরিষদকে কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব ও কর ফাকি দিচ্ছে বলে গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উখিয়ার থাইংখালী, জামতলী, বাঘঘোনা, হাকিমপাড়া, ময়নার ঘোনা, কুতুপালং লম্বাশিয়া, মধুর ছড়া, ইরানী পাহাড়, মক্কা মদিনা পাহাড়, মদিনার ঘোনা, বাশেঁর কেল্লা, টিভি রিলে কেন্দ্র, রাবার বাগান, বালুখালী, পানবাজার সহ অন্যান্য অনিন্ধনকৃত রোহিঙ্গা ব্যাম্প গুলোতে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অর্ধশাতাধিক হাটবাজার। প্রতিটিবাজারে অনন্ত দুই থেকে আড়াইশত দোকান রয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও জনপ্রতিনিধিরা রাতারাতি ফায়দা লুটার কু-উদ্দ্যেশে রোহিঙ্গাদের দিয়ে দোকান বসিয়ে হাটবাজার নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। বাজার গুলোতে রয়েছে, মুদির দোকান, ফামের্সী, কাঁচা তরি তরকারি, হোটেল, ট্রি স্টেল, গ্যাস স্টেপের দোকান, রকমারি ষ্টোর, মাছ ও মাংসের দোকান। যার একটিরও বৈধ ট্রেড লাইসেন্স ও কতৃপক্ষের ছাড় পত্র নেই।
গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, উখিয়ার জামতলী, বাঘ ঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে স্থানীয় কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রোহিঙ্গাদের নিত্যপণ্য ক্রয়ের সুবিধার্থে বয়েকটি দোকান বসায়। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে বৈধভাবে ব্যবসা করে আসছিল। ব্যক্তিমালিকানাধিন জোত জায়গায় দোকান বসালেও স্থানীয় ইউপি মেম্বার নুরুল আমিন উক্ত ক্যাম্পে পাহাড় কেটে রোহিঙ্গাদের দিয়ে রাতারতি হাটবাজার বসায়। ক্যাম্পের অভ্যন্তরে ঝূকিপূণ এলাকায় বসানো হাটবাজারে দোকান গুলোতে ব্যবসা পরিচালনা করছে রোহিঙ্গা মাঝি থেকে শুরু করে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাগণ। উক্ত বাজারের দোকান গুলোতে কোন বৈধ কাগজ ও ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স নেই। মেম্বারে নেতৃত্বে গড়ে উঠা ওই বাজারের দোকানদারগণ সবাই রেহিঙ্গা ব্যবসায়ী। উক্ত বাজার বসাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এমন কি স্থানীয়দের সাথে রোহিঙ্গাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজার কমিটির সভাপতি জামাল উদ্দিন সওদাগার।
দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কোন প্রকার চাকরি, দোকান পরিচালনা ও ব্যবসা বানিজ্য করার সুযোগ না দেওয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সরকার বিধি নিষেধ আরোপ করার পরও কিভাবে প্রশাসনের সামনে ক্যাম্পে বাজার বসিয়ে রোহিঙ্গারা দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করে। শুধু তাই নয়, শত শত রোহিঙ্গা যুবক এনজিওতে চাকরি করছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ অধিবাসী ও সচেতন মহলে প্রচন্ড ক্ষোভ পরিলক্ষিত দেখা দেয়। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী রোহিঙ্গাদের সাথে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের হাত থেকে রক্ষা ও আইনশৃঙখলা পরিস্থিডু নিয়ন্ত্রনে রাখতে ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অবৈধ ভাবে গড়েউঠা বাজার গুলোতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অর্ধশত অবৈধ হাটবাজার!

ফারুক আহমদ, উখিয়া

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে অর্ধশত অবৈধ হাটবাজার বসিয়ে রোহিঙ্গাদের দিয়ে জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। হাটবাজার গুলো নিয়ন্ত্রণ করছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ প্রভাবশালী মহল। উখিয়ার থাইংখালী, জামতলীতে বিশাল আকারে নতুন করে রোহিঙ্গা বস্তিতে বাজার বসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে দন্দ ও সংঘাত সৃষ্টির আশংকা রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স থাকলেও রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীর কাছে কোন ধরনের ট্রেড লাইসেন্স ও দোকানের বৈধ ছাড়পত্র নেই। অর্ধশত অবৈধ হাটবাজারে কয়েক হাজার দোকান বসিয়ে স্থানীয় সরকার ও উপজেলা পরিষদকে কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব ও কর ফাকি দিচ্ছে বলে গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উখিয়ার থাইংখালী, জামতলী, বাঘঘোনা, হাকিমপাড়া, ময়নার ঘোনা, কুতুপালং লম্বাশিয়া, মধুর ছড়া, ইরানী পাহাড়, মক্কা মদিনা পাহাড়, মদিনার ঘোনা, বাশেঁর কেল্লা, টিভি রিলে কেন্দ্র, রাবার বাগান, বালুখালী, পানবাজার সহ অন্যান্য অনিন্ধনকৃত রোহিঙ্গা ব্যাম্প গুলোতে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অর্ধশাতাধিক হাটবাজার। প্রতিটিবাজারে অনন্ত দুই থেকে আড়াইশত দোকান রয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও জনপ্রতিনিধিরা রাতারাতি ফায়দা লুটার কু-উদ্দ্যেশে রোহিঙ্গাদের দিয়ে দোকান বসিয়ে হাটবাজার নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। বাজার গুলোতে রয়েছে, মুদির দোকান, ফামের্সী, কাঁচা তরি তরকারি, হোটেল, ট্রি স্টেল, গ্যাস স্টেপের দোকান, রকমারি ষ্টোর, মাছ ও মাংসের দোকান। যার একটিরও বৈধ ট্রেড লাইসেন্স ও কতৃপক্ষের ছাড় পত্র নেই।
গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, উখিয়ার জামতলী, বাঘ ঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে স্থানীয় কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রোহিঙ্গাদের নিত্যপণ্য ক্রয়ের সুবিধার্থে বয়েকটি দোকান বসায়। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে বৈধভাবে ব্যবসা করে আসছিল। ব্যক্তিমালিকানাধিন জোত জায়গায় দোকান বসালেও স্থানীয় ইউপি মেম্বার নুরুল আমিন উক্ত ক্যাম্পে পাহাড় কেটে রোহিঙ্গাদের দিয়ে রাতারতি হাটবাজার বসায়। ক্যাম্পের অভ্যন্তরে ঝূকিপূণ এলাকায় বসানো হাটবাজারে দোকান গুলোতে ব্যবসা পরিচালনা করছে রোহিঙ্গা মাঝি থেকে শুরু করে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাগণ। উক্ত বাজারের দোকান গুলোতে কোন বৈধ কাগজ ও ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স নেই। মেম্বারে নেতৃত্বে গড়ে উঠা ওই বাজারের দোকানদারগণ সবাই রেহিঙ্গা ব্যবসায়ী। উক্ত বাজার বসাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এমন কি স্থানীয়দের সাথে রোহিঙ্গাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজার কমিটির সভাপতি জামাল উদ্দিন সওদাগার।
দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কোন প্রকার চাকরি, দোকান পরিচালনা ও ব্যবসা বানিজ্য করার সুযোগ না দেওয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সরকার বিধি নিষেধ আরোপ করার পরও কিভাবে প্রশাসনের সামনে ক্যাম্পে বাজার বসিয়ে রোহিঙ্গারা দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করে। শুধু তাই নয়, শত শত রোহিঙ্গা যুবক এনজিওতে চাকরি করছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ অধিবাসী ও সচেতন মহলে প্রচন্ড ক্ষোভ পরিলক্ষিত দেখা দেয়। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী রোহিঙ্গাদের সাথে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের হাত থেকে রক্ষা ও আইনশৃঙখলা পরিস্থিডু নিয়ন্ত্রনে রাখতে ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অবৈধ ভাবে গড়েউঠা বাজার গুলোতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

নতুন মন্ত্রীরা কে কোন দপ্তরে

নতুন বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভার কলেবর বাড়লো। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিন মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রীর শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
শপথ নেওয়া চার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ওই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। মন্ত্রী সভার নতুন সদস্য লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল পেয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। আইসিটি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বারকে দেওয়া হয়েছে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। আর শিক্ষায় প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী কেরামত আলীকে।
শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় রদবদল আনা হয়। তখন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসিকে পূর্ণমন্ত্রী করা হয়।
আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তারানা হালিম ও লালমনিরহাট-২ এর সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদ।
আর ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দফতরবিহীন করা হয়। পরে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী করা হয় ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী ও একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন মারা যান। এরপর ২০১৬ সালের ১৯ জুন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী থেকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান নুরুজ্জামান আহমেদ।
এর আগে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ সরকার। পরে ওই বছরের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেয়।
তখন অধিকাংশ পুরনো মন্ত্রীকে বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত নতুন ও আগের সরকারের সময় দলের বাদ পড়া জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে সরকার গঠন করা হয়।
ওই বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি আরেক দফা মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় আবুল হোসেন মাহমুদ আলীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং নজরুল ইসলামকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
হজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ২০১৪ বছরের ১২ অক্টোবর আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে অপসারিত হন।
নতুন শপথ নেওয়া চারজনসহ বর্তমান মন্ত্রিসভায় ৩৩ জন মন্ত্রী, মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর একজন বিশেষ দূত ও পাঁচজন উপদেষ্টা, ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী এবং দু’জন উপমন্ত্রী রয়েছেন।

সূত্র :দৈনিক শিক্ষা